সৌন্দর্য নাকি আসলে মনের। সৌন্দর্য, যে দেখে তাঁর চোখের ওপর নির্ভর করে। কারও সৌন্দর্য মাপা যায় না। ইত্যাদি অনেক তত্ত্ব, কাব্যকথা রয়েছে। এসবই নাকি আসলে ভ্রান্ত। সৌন্দর্য মাপার জন্য আস্ত একটা নাকি বিজ্ঞান রয়েছে। অনেকটা জ্যামিতির মতোই। আর সেই বিজ্ঞান বলছে, এ দুনিয়ায় সবথেকে সুন্দর বেলা হাদিদ।

২৩ বছরের এই মার্কিন মডেলের থেকে কেউ সুন্দর নেই। বিজ্ঞানীরা বলছেন, তাঁর মুখে কোনও খুঁত নেই। ৯৪.‌৩৫ শতাংশ নিখুঁত। এতটা নিখুঁত বোধ হয় আর কেউ হতে আপরেননি। যেমন তাঁর কপাল, তেমনই নাক, তেমনই ভ্রুযুগল। তেমন ঠোঁট আর তেমনই চিবুক। ঠোঁটটা নাকি ৯৪.‌১ শতাংশ নিখুঁত। চোখের আবস্থান ৯৭.‌৬৫ শতাংশ নিখুঁত। এই সৌন্দর্য মাপার ভিত্তি কিন্তু প্রাচীন কালে গ্রিক পণ্ডিতদের তত্ত্ব। এই পরীক্ষায় দ্বিতীয় কে জানেন?‌ পপ আইকন বিয়ন্সে। তার মুখ ৯২.‌৪৪ শতাংশ নিখুঁত।

অভিনেত্রী অ্যাম্বার হার্ড রয়েছেন তৃতীয় স্থানে। তার মুখ ৯১.‌৮১ শতাংশ নিখুঁত। এই পরীক্ষ–নিরীক্ষা চালিয়েছেন লন্ডনের ডা.‌ জুলিয়ান ডি সিলভা। তিনি পেশায় ফেশিয়াল কসমেটিক সার্জেন। তাহলে ক্লিওপেট্রা, রানী পদ্মিনীর সৌন্দর্যও কি এভাবেই মাপা হয়েছিল?‌ তারপর প্রচার হয়েছিল দেশে–বিদেশে?‌ নাকি বিজ্ঞান নয়, প্রেমিকের চোখই ছিল সেই মাপকাঠি?‌ সেই নিয়ে কিন্তু ধন্নদ থেকেই যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন